প্লাস্টিক চেয়ার দাম: বাংলাদেশে ঘরবাড়ি, অফিস, দোকান কিংবা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্লাস্টিকের চেয়ারের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। তুলনামূলক কম দাম, সহজে বহন করার সুবিধা এবং বিভিন্ন ডিজাইনের কারণে অনেকেই প্লাস্টিকের চেয়ার কিনতে পছন্দ করেন।
তবে বাজারে আরএফএল, বেঙ্গল, এন মোহাম্মদ ও আকিজ প্লাস্টিক চেয়ারের দাম একেক মডেল ও ডিজাইন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। কেউ খুঁজছেন বাসার জন্য সাধারণ প্লাস্টিকের চেয়ার, আবার কেউ চান মজবুত, আরামদায়ক ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের চেয়ার।
তাই কেনার আগে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের চেয়ারের দাম, মান, স্থায়িত্ব এবং ডিজাইন সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি। এই আর্টিকেলে আরএফএল প্লাস্টিক চেয়ারের দাম, বেঙ্গল প্লাস্টিক চেয়ারের দাম, এন মোহাম্মদ প্লাস্টিক চেয়ারের দাম এবং আকিজ প্লাস্টিক চেয়ারের দাম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
প্লাস্টিকের চেয়ার দাম ২০২৭
বাংলাদেশের বাজারে বিভিন্ন প্রস্তুতকারক কোম্পানির তৈরি প্লাস্টিকের চেয়ার কিনতে পাওয়া যায়, যেগুলোর গুণগত মান ও স্থায়িত্বের ওপর ভিত্তি করে দামের বেশ তারতম্য দেখা যায়। নিচে মানসম্মত কিছু প্লাস্টিক চেয়ারের বর্তমান বাজার দর সম্পর্কিত তথ্য তুলে ধরা হলো:
আরো পড়ুনঃ আরএফএল ওজন স্কেল দাম বাংলাদেশে
- Classic Plastic Chair এর মূল্য মাত্র ৫৮০ টাকা
- Classic Garden Chair এর মূল্য মাত্র ৫১৮ টাকা
- Supreme Deco Plastic Chair এর মূল্য মাত্র ৪৯৩ টাকা
- Elegant Plastic Chair এর মূল্য মাত্র ৫২৭ টাকা
- RFL Garden Chair এর মূল্য মাত্র ৫১৯ টাকা
- RFL Pride Arm Chair এর মূল্য মাত্র ৬৯৮ টাকা
- Plastic Bangla Regular Chair এর মূল্য মাত্র ৯৮৭ টাকা
- Relax Arm Plastic Chair এর মূল্য মাত্র ৬০৪ টাকা
- Khandani Plastic Chair এর মূল্য মাত্র ৮৯০ টাকা
- Empero Plastic Chair এর মূল্য মাত্র ১,০০০ টাকা
সবসময় নামকরা বা পরিচিত কোনো ব্র্যান্ডের প্লাস্টিক চেয়ার কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। যদিও এগুলোর দাম বাজারে থাকা সাধারণ চেয়ারের চেয়ে সামান্য বেশি হয়ে থাকে, তবুও এগুলোর গঠন অনেক বেশি মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং বসেও বেশ আরাম ও স্বাচ্ছন্দ্য পাওয়া যায়।
আরএফএল প্লাস্টিক চেয়ার দাম
দেশের প্লাস্টিক পণ্যের বাজারে আরএফএল বেশ সুপরিচিত ও জনপ্রিয় একটি নাম। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী বাজারে তাদের রকমারি ডিজাইন ও সুবিধার প্লাস্টিকের চেয়ার দেখতে পাওয়া যায়। আরএফএল ব্র্যান্ডের বহুল বিক্রীত কিছু প্লাস্টিক চেয়ারের বর্তমান দরদাম নিচে ফুটিয়ে তোলা হলো:

- RFL Polypropylene Classic Relax Chair এর বর্তমান মূল্য মাত্র ৬৩০ টাকা
- RFL Khandani Stick Plastic Chair এর বর্তমান মূল্য মাত্র ১,০৫০ টাকা
- RFL Deluxe Garden Plastic Chair এর বর্তমান মূল্য মাত্র ৫৯৪ টাকা
- FL Supreme Plastic Chair এর বর্তমান মূল্য মাত্র ৫৩১ টাকা
- RFL Deluxe Dining Plastic Chair এর বর্তমান মূল্য মাত্র ৬০০ টাকা
- RFL Smart Armless Plastic Chair এর বর্তমান মূল্য মাত্র ৬০০ টাকা
- RFL Majesty King Plastic Chair এর বর্তমান মূল্য মাত্র ৭০০ টাকা
- RFL Classic Solid Plastic Chair এর বর্তমান মূল্য মাত্র ১,১৫০ টাকা
- RFL Fit Royal Plastic Chair এর বর্তমান মূল্য মাত্র ৯২০ টাকা
- RFL Stylee Ventral Arm Chair এর বর্তমান মূল্য মাত্র ১,৫৯০ টাকা
মূল্য বা বাজেটের দিকটি বিবেচনা করলে আরএফএল প্লাস্টিক চেয়ারের স্থায়িত্ব ও গুণগত মান বেশ সন্তোষজনক, তাই কোনো দ্বিধা ছাড়াই এই ব্র্যান্ডের চেয়ার বেছে নেওয়া যায়। তাছাড়া দেশের ছোট-বড় যেকোনো হাট-বাজার কিংবা শো-রুমে আরএফএল-এর চেয়ারগুলো অত্যন্ত সহজেই কিনতে পাওয়া যায়।
বেঙ্গল চেয়ার প্রাইস ইন বাংলাদেশ
সাধারণত বেঙ্গল ব্র্যান্ডের প্লাস্টিক চেয়ারের দরদাম ৫০০ টাকা থেকে ১,০০০ টাকার কাছাকাছি হয়ে থাকে। গঠনপ্রণালী, স্থায়িত্ব এবং নান্দনিক ডিজাইনের ওপর ভিত্তি করে বেঙ্গল প্লাস্টিক চেয়ারের কিছু সম্ভাব্য মূল্যের তালিকা নিচে উল্লেখ করা হলো:
- বেঙ্গল নবাবী প্লাস্টিক চেয়ার (কালো): ৭৮০ টাকা
- বেঙ্গল ইম্পেরিয়াল প্লাস্টিক চেয়ার: ৯০০ টাকা
- বেঙ্গল ডিভাইন প্লাস্টিক চেয়ার: ৮৭৫ টাকা
- বেঙ্গল ক্রাউন প্লাস্টিক চেয়ার: ১,০০০ টাকা
- বেঙ্গল ভিক্টোরিয়ান প্লাস্টিক চেয়ার: ৬৫০ টাকা
- বেঙ্গল ডেকো সুপার প্লাস্টিক চেয়ার: ৬৫০ টাকা
- বেঙ্গল ডিজাইন প্লাস্টিক চেয়ার: ৬৫০ টাকা
- বেঙ্গল অ্যারিস্টোক্রেট প্লাস্টিক চেয়ার: ৬৫০ টাকা
- বেঙ্গল প্লাস্টিক ফোল্ডিং চেয়ার: ৭০০ টাকা
- বেঙ্গল ডেকো ক্লাসিক প্লাস্টিক চেয়ার: ৫৮৫ টাকা
উপরে উল্লিখিত মডেলগুলোর মধ্যে থেকে আপনার বাজেট ও ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো একটি চেয়ার বেছে নিতে পারেন। তবে কেনাকাটা চূড়ান্ত করার আগে দোকানে গিয়ে সরাসরি পরীক্ষা করে এবং ভালোভাবে দেখেশুনে নেওয়া সবসময়ই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
এন মোহাম্মদ প্লাস্টিক চেয়ার দাম
এন মোহাম্মদ প্লাস্টিক চেয়ারের মূল্যের পরিসীমা সাধারণত ৫০০ টাকা থেকে ১,০০০ টাকার কাছাকাছি হয়ে থাকে। মান ও টেকসই গঠনের ওপর ভিত্তি করে এই কোম্পানির নানান মডেলের চেয়ার বাজারে নির্ধারিত হয়। দেশের প্রায় প্রতিটি প্রান্তেই এন মোহাম্মদের প্লাস্টিক চেয়ার অত্যন্ত সহজে কিনতে পাওয়া যায়।
আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশে 12 ভোল্ট ব্যাটারি দাম কত
অনলাইন প্ল্যাটফর্ম কিংবা সরাসরি বাজার থেকে যেখানেই কেনাকাটা করুন না কেন, ভালোমতো পরখ করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া জরুরি। বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী এই দরদামে কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে, তাই কেনার চূড়ান্ত মুহূর্তে বর্তমান বাজারদরটি জেনে নেওয়ার চেষ্টা করবেন।
আকিজ প্লাস্টিক চেয়ার দাম
বাংলাদেশে উন্নত মানবৃদ্ধি ও মজবুত কাঠামোর জন্য আকিজ প্লাস্টিক বর্তমানে বেশ আস্থা অর্জন করেছে। চেয়ারের নকশা, প্লাস্টিকের স্থায়িত্ব কিংবা হাতল থাকা না-থাকার বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করেই মূলত এগুলোর মূল্যে পার্থক্য দেখা যায়।
চলতি বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আকিজ প্লাস্টিক চেয়ারের একটি সম্ভাব্য মূল্যের আনুমানিক ধারণা নিচে তুলে ধরা হলো:
সিম্পল হাতল ছাড়া চেয়ার: ৫০০ টাকা থেকে ৭৫০ টাকা
- রেগুলার হাতলসহ চেয়ার: ৮০০ টাকা থেকে ১,২০০ টাকা
- আরামদায়ক বা রিল্যাক্স চেয়ার: ১,৫০০ টাকা থেকে ২,৫০০ টাকা
- বাচ্চাদের জন্য ছোট চেয়ার: ৩৫০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা
- অফিস বা ডাইনিং ক্যাটাগরির চেয়ার: ১,২০০ টাকা থেকে ১,৮০০ টাকা
জনপ্রিয় কিছু মডেলের ধরন ও বৈশিষ্ট্য:
আকিজ ডেকোরেটর চেয়ার: প্রধানত সামাজিক অনুষ্ঠান বা প্যান্ডেলের সাজসজ্জায় ব্যবহৃত হয়; এগুলো ওজনে বেশ হালকা হলেও যথেষ্ট মজবুত এবং দাম সাধারণত ৫৫০ টাকা থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে।
আকিজ সোফা চেয়ার (হাতলসহ): চমৎকার গঠন ও মানসম্মত প্লাস্টিকের তৈরি এই চেয়ারগুলো বাসা-বাড়িতে ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং এগুলোর দাম পড়ে ৯০০ টাকা থেকে ১,৩০০ টাকার মতো।
আকিজ কিং স্টার বা লাক্সারি মডেল: রাজকীয় অনুভূতি, বাড়তি আরাম ও চওড়া গঠনের জন্য এই মডেলগুলো দারুণ; অত্যন্ত শক্তপোক্ত এসব চেয়ারের দাম সাধারণত ১,৮০০ টাকা থেকে ২,৫০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।
কেন কিনবেন?
- উন্নতমানের প্রিমিয়াম প্লাস্টিক: আকিজ মূলত ভালো মানের ‘ভার্জিন প্লাস্টিক’ দিয়ে চেয়ার তৈরি করে, ফলে এটি সহজে ভেঙে যায় না এবং এর উজ্জ্বল রঙও দীর্ঘদিন অক্ষুণ্ণ থাকে।
- আকর্ষণীয় ডিজাইন: আধুনিক বাসা বা অফিসের পরিবেশের সাথে বেশ সুন্দরভাবে মানিয়ে নেওয়ার মতো তাদের কাছে বৈচিত্র্যময় ও ট্রেন্ডি ডিজাইনের পাশাপাশি নজরকাড়া রঙের কালেকশন রয়েছে।
- সহজে পাওয়ার সুবিধা: আপনার আশপাশের যেকোনো বড় প্লাস্টিক পণ্যের দোকান, মেলা কিংবা কোম্পানির নিজস্ব ডিলার শোরুম থেকেই আকিজের এসব চেয়ার সহজে সংগ্রহ করা যায়।
- পাইকারি ছাড় ও দরদামের পার্থক্য: একসাথে ১২টি বা ২৪টির মতো বেশি পরিমাণে চেয়ার কিনলে অথবা পাইকারিতে নিলে প্রতি পিসে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত ছাড় পাওয়ার সুযোগ থাকে; তবে বর্তমান বাজার পরিস্থিতির কারণে দোকানভেদে মূল্যে সামান্য তারতম্য হতে পারে।
আকিজ প্লাস্টিক চেয়ারের নকশা এবং গুণগত মানের ওপর ভিত্তি করেই মূলত এগুলোর দাম নির্দিষ্ট করা হয়। আপনার সুবিধার্থে স্থানীয় যেকোনো বাজার কিংবা অনলাইন মাধ্যম থেকে ঘরে বসেই আকিজের প্লাস্টিক চেয়ারগুলো সংগ্রহ করতে পারেন।
ভালো প্লাস্টিক চেয়ার চেনার উপায়
মানসম্মত ও দীর্ঘস্থায়ী প্লাস্টিকের চেয়ার চিনে নেওয়ার জন্য কিছু সাধারণ বিষয় খেয়াল রাখাই যথেষ্ট। কেনাকাটা করার সময়ে কয়েকটি বিশেষ দিক ভালোভাবে নজর দিলে খুব সহজেই একটি টেকসই চেয়ার নির্বাচন করা সম্ভব হবে।
আরো পড়ুনঃ গাজী ট্যাংক ৫০০ লিটার দাম কত
- প্লাস্টিকের ধরন পরখ করা: চেয়ার কেনার সময় প্রথমেই এর প্লাস্টিকের মান দেখে নেওয়া ভালো; ভার্জিন প্লাস্টিকের তৈরি চেয়ারগুলো সাধারণত বেশি মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী হয়।
- মসৃণতা ও ফিনিশিং: ভালো মানের চেয়ার নিখুঁত ও চমৎকার ফিনিশিংয়ের হয়ে থাকে, তাই চারপাশের মসৃণতা ভালোভাবে খেয়াল করুন।
- নমনীয়তা পরীক্ষা: চেয়ারের পেছনের হেলান দেওয়ার জায়গায় হালকা চাপ দিয়ে ছেড়ে দিন; যদি চাপ সরানোর সাথে সাথে তা আগের মতো সোজা হয়ে যায়, তবে প্লাস্টিকটি ভালো। অতিমাত্রায় শক্ত প্লাস্টিক সহজে ভেঙে যেতে পারে।
- ওজন যাচাই: সাধারণত মানসম্মত চেয়ারের ওজন কিছুটা ভারী হয়; ফলে অতিরিক্ত হালকা কিংবা একদম পাতলা চেয়ার বেছে না নেওয়াই ভালো।
- পায়ার স্থায়িত্ব ও ভারসাম্য: চেয়ারের পায়াগুলো ঠিকঠাক মজবুত কি না এবং সমতল মেঝেতে পুরোপুরি সোজা হয়ে বসছে কি না, তা ভালোভাবে দেখে নিন।
- রঙের সামঞ্জস্য: পুরো চেয়ারের রঙের দিকে খেয়াল রাখুন; সব জায়গায় রঙ সমানভাবে ছড়িয়েছে কি না বা কোথাও কোনো তারতম্য আছে কি না তা যাচাই করুন।
- বসে আরাম নিশ্চিত করা: চেয়ারটিতে সরাসরি কিছুক্ষণ বসে দেখুন; আপনার কাছে বসতে আরামদায়ক ও স্বস্তিদায়ক মনে হলেই সেটি কেনা সঠিক হবে।
এগুলো ছাড়াও বাজারে উন্নত মানের প্লাস্টিকের চেয়ারের আরও বেশ কিছু জনপ্রিয় ব্র্যান্ড রয়েছে, যেখান থেকে আপনার পছন্দ অনুযায়ী চেয়ার কিনে নিতে পারেন। তবে যেকোনো চেয়ার কেনার আগেই দরদামের পাশাপাশি মান ঠিকঠাক আছে কি না, তা ভালোভাবে দেখে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর (FAQs)
প্লাস্টিক চেয়ার কেনার সময় ভার্জিন প্লাস্টিক কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ভার্জিন প্লাস্টিক হলো একদম নতুন ও রিসাইকেল না করা প্লাস্টিক। এই প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি চেয়ার অনেক বেশি মজবুত, টেকসই হয় এবং সহজে ভেঙে যায় না বা রঙ চটে না।
বাংলাদেশে প্লাস্টিক চেয়ারের জনপ্রিয় কিছু ব্র্যান্ড কী কী?
আরএফএল (RFL), বেঙ্গল (Bengal), এন মোহাম্মদ (N. Mohammad) এবং আকিজ (Akij) হলো বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ও নির্ভরযোগ্য প্লাস্টিক চেয়ার ব্র্যান্ড।
হাতলসহ ও হাতল ছাড়া চেয়ারের দামের পার্থক্য কেমন?
সাধারণত হাতল ছাড়া সিম্পল চেয়ারগুলোর দাম একটু কম হয় (৫০০ থেকে ৭৫০ টাকা), আর হাতলসহ বা সোফা মডেলের চেয়ারগুলোর দাম কিছুটা বেশি হয় (৮০০ থেকে ১,৩০০ টাকা বা তার বেশি)।
ডেকোরেটর চেয়ার ও সাধারণ বাসাবাড়ির চেয়ারের মধ্যে পার্থক্য কী?
ডেকোরেটর চেয়ার মূলত হালকা ও সহজে একটার ওপর আরেকটা সাজিয়ে রাখার জন্য তৈরি হয় যা বড় অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে বাসাবাড়ির চেয়ারগুলো আরামদায়ক ও একটু বেশি চওড়া ডিজাইনের হয়ে থাকে।
পাইকারি বা বেশি সংখ্যায় প্লাস্টিক চেয়ার কিনলে কি কোনো ছাড় পাওয়া যায়?
হ্যাঁ, একসঙ্গে ১২টি বা ২৪টির মতো বেশি পরিমাণে বা পাইকারিতে কিনলে প্রতি চেয়ারে সাধারণত ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত ছাড় পাওয়ার সুযোগ থাকে।
প্লাস্টিক চেয়ার কি সহজে নষ্ট হয়ে যায়?
উন্নতমানের ভার্জিন প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি চেয়ার যত্ন করে ব্যবহার করলে বছরের পর বছর ভালো থাকে। তবে রোদে দীর্ঘ সময় ফেলে রাখলে বা অতিরিক্ত ভার দিলে প্লাস্টিক দুর্বল হতে পারে।
প্লাস্টিক চেয়ার কেনার পর কি পরবর্তীতে কোনো গ্যারান্টি বা ওয়ারেন্টি পাওয়া যায়?
ব্র্যান্ড ও মডেলভেদে কিছু কিছু কোম্পানি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য ওয়ারেন্টি বা স্থায়িত্বের নিশ্চয়তা দিয়ে থাকে, তবে কেনার সময় দোকান বা ডিলারের কাছ থেকে তা জেনে নেওয়া ভালো।
লেখকের শেষকথা
আশা করি এই আয়োজনের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্লাস্টিক চেয়ারের মূল্যের একটি স্পষ্ট ধারণা আপনারা লাভ করেছেন। তবে স্থান কিংবা দোকানভেদে এই দরদামে কিছুটা ভিন্নতা দেখা দিতে পারে।
তাই চূড়ান্ত কেনাকাটার আগে ভালোমতো যাচাই করে দরদাম ও মান দেখে নেওয়ার পরামর্শ রইল। দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর সর্বশেষ বাজারদর জানতে আমাদের ওয়েবসাইটের সাথেই যুক্ত থাকুন। আন্তরিক ধন্যবাদ।

